কোপার ফাইনালে ভোরে মুখোমুখি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

অপেক্ষার প্রহর শেষ। রাত পোহালেই কোপা আমেরিকার ফাইনাল। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন নেইমারের ব্রাজিলের সামনে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।
মেসি কি পারবে আকাশি-নীল জার্সি গায়ে ট্রফি ক্ষরা ঘোচাতে? উত্তর মিলবে মারাকানায় ভোর ৬টায়। ফুটবলের দেশ ব্রাজিলের ফুটবল তীর্থ। ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামটা অপেক্ষায় আরও এক ঐতিহাসিক দ্বৈরথের।

ইতিহাস সাক্ষী ব্রাজিল আর্জেন্টিনা লড়াই মানেই শুধু এক ফুটবল ম্যাচ নয়, তার চাইতেও অনেক বেশি কিছু। আর খেলাটা যদি হয় ফাইনালে তাহলে তো কথাই নেই, শিরোপার লড়াই যেন আক্ষরিক অর্থেই যুদ্ধ।
মেসির জন্য তার আরও বেশি। কোপা আর বিশ্বকাপ মিলিয়ে চারটা ফাইনাল হেরেছেন এলএমটেন। সামনের বিশ্বকাপ খেলবেন, তবে বয়সকে মানদন্ড ধরলে বলাই যায় আর্জেন্টিনা জার্সিতে ট্রফি উঁচিয়ে ধরার হয়তো শেষ সুযোগ মারাকানাতে।
টুর্নামেন্টজুড়েই ধ্রুপদী ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসেছিলো ব্রাজিল। একই কথা খাটে আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রেও। ৬ ম্যাচে মেসিরা গোল করেছে ১১, খেয়েছে ৩টা। ব্রাজিল গোল করায় একটা বেশি, আর হজমে একটা কম। পরিসংখ্যানের সাথে খেলাটা নিজেদের মাঠে হওয়াটাও ওদের বাড়তি সুবিধা।
টুর্নামেন্টে দুই জায়ান্টের সেরা দুই খেলোয়াড় কোন সন্দেহ ছাড়াই নেইমার-মেসি। ওদের পায়ে ভর করেই কোন ঝামেলা ছাড়া ফাইনালে ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা। ৪ গোলের সাথে ৫ অ্যাসিস্টে এলএমটেন ২ গোল করে নেইমারের চেয়ে এগিয়ে।
তার পরও শেষ লড়াই-ই গড়ে দেবে পার্থক্য, টুর্নামেন্ট জিতলে ট্রফি তো মিলবেই। সেরা খেলোড়ের তকমাটাও পাবে ওরাই। সাথে এগিয়ে যাবে ব্যাল ডি অর জেতার দৌড়ে। বাঘে-সিংহে লড়াইটা জমবে বেশ। দুই জায়ান্ট তৈরি।