ব্রাজিলকে রুখে দিল ইকুয়েডর

টানা ১০টি ম্যাচ, অবশেষে ১১তম ম্যাচে এসে জয়ের কোনো দেখা পেল না ব্রাজিল। কোপা আমেরিকার গ্রুপ ‘বি’ থেকে আগেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছিল ব্রাজিল। যে কারণে কোচ তিতে শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরের বিপক্ষে একাদশে কয়েকটি পরিবর্তন আনেন। নেইমারকে মাঠেই নামাননি তিনি।
এর ফলও পেতে হয়েছে ব্রাজিলকে। টানা ১০ ম্যাচ জেতার পর এই প্রথম কোনো ম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি সেলেসাওরা। ইকুয়েডর তাদের রুখে দিয়েছে ১-১ গোলে ড্র করে।

আগেই কোয়ার্টার ফাইনাল ও গ্রুপের শীর্ষস্থান চূড়ান্ত করেছিল ব্রাজিল। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নতুন চেহারার দল মাঠে নামান তিতে। নেইমার, থিয়াগো সিলভা, ফ্রেডরা ছিলেন বেঞ্চে। আগের ম্যাচ থেকে কেবল অধিনায়ক মারকুইনহোস ও গোলকিপার আলিসন ছিলেন প্রথম একাদশে।
এই দল নিয়েই এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ৩৭ মিনিটে এভারটনের ক্রস থেকে অনেক উঁচুতে লাফিয়ে দুর্দান্ত হেডে লিড এনে দেন মিলিতাও। এর আগে গ্যাবি ও পাকুয়েতা গোলের সুযোগ তৈরি করেও সফল হতে পারেননি। ওই এক গোলই প্রথমার্ধে গড়ে দেয় দুই দলের পার্থক্য।
দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ দলগত নৈপুণ্যে স্কোর সমান করে ইকুয়েডর। কর্নার থেকে ব্রাজিল বল বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে দুটি হেড পাস থেকে মেনা করেন সমতাসূচক গোল। ১৭ মিনিটে কায়কেদো চোট  নিয়ে মাঠ ছাড়লে নামেন তিনি। তার ওই ৫৩ মিনিটের গোলেই পয়েন্ট ভাগাভাগি করে ইকুয়েডর। অবশ্য ভিনিসিউস জুনিয়র ও এমারসন গোল মিস না করলে ব্রাজিলের জন্য ভিন্ন গল্প হতে পারতো। ২০১৬ সালের কোপায় গোলশূন্য ড্রর পর দ্বিতীয়বার ইকুয়েডরের কাছে ধরা খেলো তিতের শিষ্যরা।
আগামী ২ জুলাই নিল্তন অলিম্পিক সান্তোসের মাঠে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলবে ব্রাজিল, তাদের প্রতিপক্ষ ‘এ’ গ্রুপের চতুর্থ দল।