ফাইজার-মডার্না-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ইউরো কাপের নতুন লাইন-আপ!

মেসিকে নিয়ে আর্জেন্টিনার কিংবা রোনাল্ডোকে জুড়ে পর্তুগালের ফরোয়ার্ড লাইনই কি ইউরো কাছের সেরা আকর্ষণ? ফ্রান্সের গ্রিসম্যান, বেঞ্চেমা, এমবাপে কিংবা ইংল্যান্ডের রহিম স্টারলিং, হ্যারি কেন ও ফিল ফডেনের ফরোয়ার্ডও কিন্তু বেশ চোখ ধাঁধানো। কিন্তু অতিমারীতে এসব নামকে বলে বলে দশ গোল দিচ্ছে নতুন লাইন-আপ।
ভাবছেন, এমনটা কীভাবে সম্ভব! কোন মহারাজার আবির্ভাব ঘটল, যে বিশ্বের তাবড় তাবড় ফুটবলাররাও চলে গেলেন একেবারে পিছনের সারিতে! সত্যিই এমনটা ঘটেছে চলতি ইউরোতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবিই তার প্রমাণ।

বিষয়টা তাহলে খোলসা করে বলা যাক। করোনা আবহেই এবার আয়োজিত হচ্ছে ইউরো কাপ। গত বছর টুর্নামেন্ট আয়োজনের কথা থাকলেও অতিমারীর জেরেই তা এক বছর পিছিয়ে যায়। ইউরো শুরু হওয়ার পরও পিছু ছাড়েনি ভাইরাসের আতঙ্ক। কোভিডে সংক্রমিত হয়েছেন একাধিক ফুটবলার। আর তাই জমজমাট ইউরোর মধ্যেও করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে আলোচনা ফিকে হয়নি। ভাইরাস পূর্ববর্তী স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে এখন ভরসা করোনা টিকাই। আর তাই অতিমারীতে তিন টিকাই হয়ে উঠল ইউরোর সেরা ফরোয়ার্ড লাইন। ফাইজার, মডার্না ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা।


নেদারল্যান্ডস বনাম নর্থ ম্যাসাডোনিয়া ম্যাচে গ্যালারিতে এই তিনটি নামেরই জার্সি গায়ে বসে থাকতে দেখা গেল তিন ফুটবলপ্রেমীকে। আর সেই ছবিই এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। ডাচ সমর্থকদের কীর্তি বেশ মনে ধরেছে নেটিজেনদের। একাধারে তাঁরা যেমন টিকাকরণের প্রচার করছেন তেমনই ইউরোয় বাকি পাঁচজনকে পিছনে ফেলে দৃষ্টি আকর্ষণও করেছেন দুনিয়ার।
ইউরোপের মোট ১১টি শহরে বসেছে ইউরোর আসর। কয়েকটি স্টেডিয়াম আবার ১০০ শতাংশ দর্শক নিয়েই খেলার আয়োজন করেছে। তবে স্টেডিয়ামে ঢোকার আগে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে। মাস্কও বাধ্যতামূলক। তাই এই পরিবেশে ভ্যাকসিনের এমন ‘প্রদর্শন’ প্রশংসা কুড়োচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার।