‘গ্রামগুলোকে উন্নত সেবার আওতায় আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে’

গ্রামগুলোকে উন্নত সেবার আওতায় আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এর আওতায় ১৫টি গ্রামকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
আজ রোববার (০৬ জুন) স্থানীয় সরকার বিভাগ আয়োজিত ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনায় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার (ভার্চুয়াল) শুরুতে তিনি এ তথ্য জানান।

এসময় মন্ত্রী বলেন, ‘গ্রামগুলোকে উন্নত সেবার আওতায় আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় ১৫টি গ্রামকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। কী ধরনের গ্রাম এর আওতাভুক্ত হবে এজন্য একটি ক্রাইটেরিয়া ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।’
‘যেসব গ্রামগুলোতে এই কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে, সেগুলোর আলোকে আমরা সারা বাংলাদেশে এর ধারবাহিকতা অব্যাহত রাখব। করোনার কারণে আমাদের কাজ কিছুটা শিথিল হয়ে গেছে। আমরা যে লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আগাচ্ছিলাম, তা সম্পূর্ণভাবে করতে পারিনি’- যোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমার গ্রাম আমার শহর প্রকল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়। গ্রামকে শহর করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় সব কাজ করবে না। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিসেবে আমি নেতৃত্ব দেবো। এখানে প্রত্যেকেই নিজ নিজ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকল্প নেবেন। প্রকল্পগুলো এলায়েন্স করে আমরা কাজ করব।’
রাজধানীতে অনেক অপরিকল্পিত এবং আইন বহির্ভূতভাবে অবকাঠামো গড়ে উঠেছে। এগুলোকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে বলেও মনে করেন মো. তাজুল ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের মাথাপিছু আয় হয়েছে ২ হাজার ২২৭ ডলার। যখন এটি সাড়ে চার হাজার বা ছয় হাজার ডলারে যাবে, তখন সবাই গাড়ি কিনে ফেলবে। এসব গাড়ি যদি চলাচল করে, আর অপরিকল্পিতভাবে যদি সব কিছু হয় তাহরে রাস্তায় জ্যাম হবে। সেক্ষেত্রে সব গাড়ি চলাচলে অনেক বেশি রাস্তা লাগবে। কিন্তু যদি পরিকল্পিতভাবে করলে জায়গা কম লাগবে।’
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি একটা ক্লাস্টারের মধ্যে স্কুল, হাসপাতাল, খেলার মাঠ, শপিংমল এবং বসবাসের জন্য অন্যসবকিছু করতে পারি, তাহলে অনেক ভালো কিছু হবে। কাজটি কঠিন হবে, তবে পারমানেন্ট হবে।’