পার্লামেন্ট ভবনে ধর্ষণের ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী

পার্লামেন্ট ভবনে ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ তোলা সাবেক এক রাজনৈতিক উপদেষ্টার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। ব্রিটানি হিজিনস নামের ওই নারীর অভিযোগ কাজ হারানোর ভয় দেখিয়ে ২০১৯ সালে এক মন্ত্রীর কক্ষে ধর্ষণের শিকার হন।
গত সোমবার এক টিভি সাক্ষাৎকারে ব্রিটানি হিজিনস দাবি করেন, তার সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তাতে তিনি হতভম্ব ও ক্ষুব্ধ। পরে প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, তিনি যেভাবে ব্রিটানির অভিযোগ সামাল দিয়েছেন তার জন্য তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। ওই অভিযোগ বর্তমানে আবারও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্রিটানির অভিযোগে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন তিনি। এ ঘটনার পর পার্লামেন্টের পরিবেশ ও সংস্কৃতি পর্যালোচনা করার তাগিদ দেন তিনি। মঙ্গলবার ক্যানবেরায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আশা করি ব্রিটানির অভিযোগ আমাদের জাগিয়ে তুলবে।’
ব্রিটানি হিজিনসের অভিযোগ ২০১৯ সালে প্রতিরক্ষা শিল্পমন্ত্রী লিন্ডা রেনল্ডসের অফিসে ধর্ষণের শিকার হন তিনি। কাজ শেষে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে পার্লামেন্টের অফিসে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় তাকে।
প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, এ ধরনের ঘটনা ঘটা উচিত হয়নি। পার্লামেন্টের প্রফেশনাল কালচার পর্যালোচনা করে দেখার ঘোষণা দেন তিনি।