বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪৩,৫৩৫ জন

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৫৩৫ জনে। এছাড়া প্রাণঘাতি এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ১৭ লাখ ৯৮ হাজার ৬৭৮ জন।

জেএইচইউর তথ্য অনুসারে, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল। বুধবার পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১৬ লাখ ৬৮ হাজার ৫৮৯ জন এবং মারা গেছেন ৬৬ হাজার ৭৪১ জন।

এদিকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ভারত। দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৭ লাখ ১৯ হাজার ৬৬৫ জন বরোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষের।

করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ রোগী শনাক্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৫৫ জনের।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ২১৩টিরও বেশি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

বাংলাদেশ পরিস্থিতি:

মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে আরও ৫৫ জন মারা গেছেন। সেই সাথে নতুন করে ৩ হাজার ২৭ জনের শরীরে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দেশে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে ৭৪টি ল্যাবে। এসব ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৪৯১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ১৭৩টি নমুনা। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮০টি।

এখন দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৫১ জনে। আর মোট শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯৫৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ৭৮ হাজার ১০২ জন।

পরীক্ষা বিবেচনায় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২২.৯৮ শতাংশ। মোট পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছেন ১৯.৩১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার এখন পর্যন্ত ৪৬.৩১ শতাংশ এবং আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার ১.২১ শতাংশ।

নতুন যে ৫৫ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৪৬ এবং নারী ৯ জন। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।